দুর্বত্তের হাত থেকে
একদিন রেহাই পেতে হবে
কে হবে কান্ডারী?
যে হবে সে ঘুমিয়ে আছে
তাকে জাগাও
হে ভান্ডারী।
তুমিতো ভান্ডারী
দিতে পার কান্ডারী
নাহলে কিসের ভান্ডারী?
ভন্ড, করিও না কষ্ট
তাহলে হবে নষ্ট
হবে পথ ভ্রষ্ট।
বাবার খানা খায়
মেয়ের ইজ্জত লুটে
সে কথা কি বলা যায়?
ভোট দিয়ে বানালাম নেতা
সেকি হলো ইজ্জত ক্রেতা
তাহলে কে হবে ভ্রাতা?
করেছি কি পাপ?
কিভাবে হবে মাফ
বলো না সৃষ্টি কর্তা?
নাম আর দাম
সবই দুনিয়ার কাম
আমার কি সম্মান?
আস বসে থাক পিছে
ওরা আসবে সদলবলে
সবাই ভোগ করব মিলেমিশে।
খাও দাও ফুর্তি করো
নিরীহ মানুষকে হত্যা করো
তাহলে ফুলের মালা দিব!
রাজনীতি
হলো এখন দুর্বৃত্ততা
একে সবাই মান্য কর
না হলে পাবে সাজা!
যারা শক্তিশালী
তারা ইজ্জত লুটের অধিকারী
আমরা তাদের ধ্বজাধারী।
মানুষের দুনিয়ায়
এটা কি করে হয়
কারণ আমরা অসহায়।
যেদিন রুখবো তা
সেদিন দেখবে দুনিয়া
আমরা অসহায় না।
জীবনের কবিতা
এ জীবনতো জীবন নয়
আসল জীবন জানা নাই
তাই আমি এত অসহায়।
যারা জীবনের সাথী
তাদেরও নাই গতি
সবারই দুর্গতি।
কখন বিদায় হব
জানি না তা হে মহামতি
তবু আছি আজন্ম লোভে মাতি।
জীবনকে বড় অসহায় মনে হয়
তবুও তোমার সাথে বন্ধুত্বের অভিপ্রায়
দয়া করো কর্তা যদি মুক্তি হয়।
তোমার গুণগান
বলায় নেই অভিজ্ঞান
করেছে হাফিজ তা বয়ান।
রুমী আর রবীন্দ্রনাথ
সবাই চিনলো তোমাকে
তাই তারা এত সুন্দর লিখে।
তুমি খাও না পান করো না
আমি খাই পান করি
কেন নিষেধ করো না।
একবার আস, নিষেধ করো
দেখবা আর কখনও
খাওয়া, পান করা হবে না।
আমাকে কোথায় নিবা
তা আমি জানি না
একটু বলো না?
যদি তুমি বল
ছেড়ে দেব খানাপিনা
শুধুই করিব তোমার বন্দনা।
যাদের সাথে মিলেছিলে
সবাই স্বার্থপর
এসেছিল স্বার্থের কারণে।
কত কি না দেখালে
কত কি না শুনালে
আর গোপনেও বললে।
কোথায় যাবো
নেই ঠিকানা
তাই শুধুই তোমার বন্দনা।
কনফুসিয়াস, তুতেমিন
সবাই আজ বিলীন
এই অধমও হবে লীন।
যাব কবরে
তারপর কি হবে
হয়ে যাব বিলীন।
কি চাও তুমি
রক্ত, মাংস, হাড়?
সবইতো করেছি উজাড়।
আর কি চাও
নিয়ে যাও
সবই দিয়েছি তোমার।
বাংলায় ডাকি
তাই কি তুমি অখুশি?
আমি নই যে আরবী ভাষী।
জন্ম দিয়েছ বাংলায়
তাই বাংলায় বন্দনা করি
কেন হবে না তুমি খুশি।
তুমি খাও না, ঘুমাও না
আনন্দ-ফুর্তি কিছুই করো না
তাই তোমার সম্পর্কে নেই ধারণা।