দব্যমূল্য নিয়ে জনগণের কথা বলার উপায় নেই
নিয়ন্ত্রণ নেই গাড়িভাড়া, বাড়িভাড়া এমনকি চুল দাড়ি ছাটা
অধিক মূল্য দিয়েও ওজনে কম আর ভেজাল দ্রব্য কেনা
রাস্তা ঘাটে টানা-হেঁচড়া করা।
অফিস আদালতে ঘুষ ছাড়া কাজ না হওয়া
হাসপাতালে চিকিৎসা না পাওয়া
কিংবা সারের জন্য লম্বা লাইন দেয়।
উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়া
শ্রম নিয়েও ন্যায্য মজুরি না-দেয়া
জীবনযাত্রায় বৈষম্য
সবইতো আজ অতি সত্য।
রাস্তায় মা বোনদের একা চলার সমস্যা
বিনা বিচারে নিরপরাধ মানুষকে আটকে রাখা
এসবই এখন রাষ্ট্রীয় প্রথা।
ব্যক্তি স্বাধীনতা, বাক্ স্বাধীনতা, মানবাধিকার
এসব এখন সংবিধানে বন্দী
এগুলো ভোগ করছে শুধু আইন প্রণেতারা।
সংখ্যালঘুদের অধিকার?
এখন রাজনৈতিক বক্তৃতায়
অথবা কাগজের পাতায়।
আমার ভোট আমি দেব
যাকে খুশি তাকে দেব,
এ এখন মুখের গণতন্ত্র।
আমার ভোট শক্তিমানের অধিকার,
যেখানে তিনি বলবেন সেখানে দেব
তা না হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরছাড়া হব।
আমি কি বোকা যে এত বড় ঝুঁকি নেব?
তার চেয়ে নিরাপদ হল
শক্তিমানের কথা অকপটে মেনে নেওয়া।
কবি-লেখক, অর্থনীতিবিদ আর পেশাজীবী
অনেকেইতো শক্তিমানের পা-চাটা
বুদ্ধিজীবীর লেবাসে ওরাও পেটজিীবী।
দরিদ্র গ্রামবাসী আর শহরের বস্তিবাসী
সবাই বড় অসহায়
ওদের ভরসার কেউ নেই আসলে এই দুনিয়ায়।
নেতারা যা কিছু বলে
তা নিরবে মেনে নিতে হয়
এই হলো দরিদ্র শ্রেণীর স্বাধীনতা।
মৌলিক অধিকার তো কাগজে লেখা
এ নিয়ে যারা কাজ করছে তারাও ভন্ড
ওরাই করছে অধিকার দ্বি-খন্ড।
দরিদ্র মানুষকে পুঁজি করে তারাও লুটছে ফায়দা
সংখ্যাগরিষ্ঠ দরিদ্রমানুষের অধিকারের কথা বলে
ওরা করছে মানবতার সাথে প্রতারণা
এটা ওদের মস্তবড় ধান্দা।
নারী স্বাধীনতার কথা বলে
নারী নেত্রীরাও লুটছে ফায়দা
সমগোত্রীয় হওয়ায় ওদের এত মর্যাদা
আসলে ওদের জায়গা হলো ময়লা নর্দমা।
দরিদ্র মানুষের কিছুই করার নেই
নেই মতামতের মূল্যায়ন
তাই ওরা নিতান্তই একটি মশা
কারণ ওদের এখন সত্যিই জিম্মি দশা।