যারা বিশ্বাসী

0 3,005

কিভাবে বিশ্বাসী? যেমন কেউ কেউ মনে করে কেউ না কেউ আছে যার সুপার পাওয়ার আছে এবং তিনিই আমাকে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু সে জানে না তিনি কে এবং কেন তার সুপার পাওয়ার? মানুষ তার নিজের আঙ্গিক থেকে চিন্তা করে। তিনি হয়তো আমার মতই অবয়বের একজন। কিন্তু আসলে তা নয় মানুষের জ্ঞানে যা পাই।
কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি, আমি সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করি। পৃথিবীতে যখন একটি মানুষ বা জীব বিশ্বাস করবে না যে, সৃষ্টিকর্তা আছে, তখনও আমি হব একমাত্র মানব, যে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে। আমরা এই বিশ্বাস এমনিতেই জন্ম হয় নাই। আমি দেখেছি যে, আমার সৃষ্টিকর্তা মহান। কি ভাবে তিনি এই বিশ্বা-ব্রহ্মান্ড পরিচালনা করেন।
সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা আমি আঙ্গুল দিয়ে হয়তো প্রমাণ করতে পারবো না। কিন্তু আমি একজন বাঙ্গালী বাংলার কথা বলি। রবীন্দ্রনাথও ছিলেন বাঙ্গালী। তাঁর একটা গান সব সময়ই আমার মনে সাড়া দেয়, আর তাহলো-আমার হিয়ার মাছে লুকিয়েছিলে দেখতে আমি পাইনি তোমায়’।
আর তো কোন নবী রাসুল (সাঃ) আসবে না, যা তিনি (আল্লাহ তায়ালা) বলেছেন, আসলে আর কেউ আসেনও নাই, আসবেনও না। আমার দাবি হয়তো মিথ্যা এবং প্রতারণা।
আমিও তো আপনাদের মতই একজন এই অবয়বরে মানুষ। তাহলে একদ্বন্দ্ব থাকার কারণ কি? কারণ হলো আমরা কাউকে কোনভাবেই বিশ্বাস করতে পারি না। আমি বিশ্ব মানব সম্প্রদায়েকে বলতে পারি, যা কিছু হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন-তা অক্ষরে অক্ষরে সত্য এর কোন বিকল্প নেই। যারাএই সত্যকে চ্যালেঞ্জ করে তারা তাদের ব্যক্তিস্বার্থের জন্য করে। এটা মানব সম্প্রদায়ের কোন কাজেই আসবে না। আমি এই সত্যটি কি চিরদিনের জন্য লিখে দিতে পারি।
এই কথা বলার পর যারা জৈব তাড়নায় লিপ্ত অথবা সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করে না, তারা মনে করবে আমি হয়ত কোন মতবাদে তাড়িত। আমি আপনাদের শপথ কওে বলছি, আমি কোন মতবাদে তাড়িত নই। আমি বর্তমান পৃথিবীর চিত্র, মানুষের মনুষ্যত্ব নেই, দেখেছি মানুষের চরিত্র, একজন মানুষ হিসেবে তাই বলছি, আপনাদের কাছে সত্য এবং প্রকৃত অর্থেই সত্য এর কোন বিকল্প নেই।
আমি বলতে চাই যে, কোন না কোন মানুষের সাথে কারও কোন দ্বন্দ্ব থাকতে পারে কিন্তু তাতে কোন সমাধান নেই।
আজকের পৃথিবীতে কি হচ্ছে তাও আমি জানি। ভবিষ্যতে কি হবে সে সম্পর্কে আমার কিছু ধারণা আছে। কিন্তু হে মানব সম্প্রদায়! এখন যা করছে, বিশেষ কওে শক্তিধর মানব সম্প্রদায় তা সঠিক নয়। একদিন হিসাবের কাঠগড়ায় তোমাদের দাঁড়াতে হবে যখন তোমাদের থাকবে না কোন উপায়। আমি যেখানের কথা বলছি সেখানে তোমাদের কোন বেশাল সৈন্যবাহিনী নেই। সেখাসে স্রেফ তুমি একা এবং আমরা। কাউকে যদি তুমি ডাকো পাবে না, কাউকে তুমি অবজ্ঞাও করতে পারবে না। তুমি শুধুই একা এবং কি হবে তুমি তা জানো? জান না। সেখানে দুনিয়ার একজনকে যেভাবে হাত কড়া পড়িয়ে নিয়ে যায়, সেভাবেই চলে যাবে এই দুনিয়া থেকে।
আমরা মনে করি, আমার স্ত্রী, আমার সন্তান। কিন্তু কেউ যে কারও নয়, তা আমরা জানি না। স্ত্রী সে তো অর্জন, সন্তান সেও তো অর্জন। আত্মীয়-স্বজন তারাওতো অর্জন, তাহলে কে আপন? বাবা-মা, ভাই-বোন, কেউ নয়। সবাই তাদের স্বার্থের কারণেই আগমন। আমার এ কথা কখন মানলে না তা নিয়ে আমার যুদ্ধ নেই। কিন্তু আমি মনে করি এটাই সত্য কথন। ধরুন কেউ আপনার পাহাড়ায় থাকে, কিন্তু কেন? আপনার নিরাপত্তার অভাব কোথায়? আপনি যদি জানমালের অধিকর্তা হোন তাহলে আপনার নিরাপত্তার অভাব হবে কেন? আর আপনার নিরাপত্তার দরকারই বা কেন? কিসের জন্য আপনার নিরাপত্তা? যদি বলো গণতন্ত্রেও প্রবক্তা আর রাজ্যেও নিরপত্তা ছিল না এজন্য? আই মিন তাহলে কি তাকেও হত্যা করা হলো? কিন্তু সাদা মানুষের কালো মানুষের ধ্বংসের জন্য না অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল।
আমি বলতে চাইছি, কোন না কোন মানুষের সাথে কারো এটাচমেন্টই হলো অশান্তির বড় ইতিহাস।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.