ভোরে রমনা পার্কে আমার ব্যায়াম করার অভ্যাস। খুবই ভোরে উঠি। একটু ওয়ার্কিং এক্সারসাইজ করি। পায়ে হেঁটে ব্যায়াম। এতে ভাল-মন্দ খেয়ে শরীরে যে চর্বি জমেছে তাও কমে, পুরোনো বন্ধুদের সাথে দেখাও হয়। ১০ থেকে ২৫ বছরের পতিতারা ভোওে যখন লেকে গোসল করে তখন তাদের উদাম শরীরও দেখা যায়। বাবা মুসলমান ছিল। আমিও মুসলমান। নামাজ-কালাম বাবাও পড়ে নাই, আমিও পড়ি না। মুখে দাড়ি রাখলে সৌন্দর্য নষ্ট হয়, স্ত্রীও রাগ করে। স্মার্টনেস থাকে না।আধুনিক যুগে মূর্তি পুজারইবা কি দরকার, ক্রুশ গলায় রাখাও ভালো লাগে না। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-এসব নিয়ে এখন এত মাথা ঘামানোরই বা কী প্রয়োজন! ধর্ম পালন আগের যুগের লোকে করত। এখন আধুনিক সভ্যতা । খাওয়া-দাওয়া, শরীর গঠন করা, পার্টি, ক্লাব, আনন্দ, ফুর্তি এসব নিয়েই দর্শন। আর এ দর্শনের ফলেই সামাজিক অস্থিরতা, চূরি-ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি, খুন, ধর্ষণ, প্রতারণা। বয়স এখন আমার ৫০। সন্ধ্যার পর একটু পান করার অভ্যাস আছে। ১৬/১৭ বছরের কিশোরীর সাথে রঙ্গ-রসে মজাও লাগে। টাকায় কী না হয়। আমরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া সন্তানরাইবা পড়ালেখা করছে কিনা, সে খবর রাখার কী দরকার! স্ত্রী এ বয়সে অর্ধেক ব্লাউজ গায়ে দিয়ে প্রসাধনী ঠিকমত মেখে মার্কেটিংয়ে গেলেইবা দোষ কী। সংসার আনন্দময় যার মনে যা লয়। যেখানে রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম। এখানেন লাইসেন্স দিয়ে মদ বিক্রি হয় , মেয়ে-লোকের ইজ্জত বিক্রিরও লাইসেন্স দেয় হয়। অফিস আদালতে ঘুষ। আর এখন ঘুষ বলছে না, এটা যেন তাদেও ন্যয্য পাওনা, না দিলে কাজ হবে না, কোন দিনও না। তারপর খারাপ ব্যবহার। রাস্তাঘাটে গায়ে ধাক্কা লাগলে ঝড়ৎৎু বা ঊীপঁংব এ সব বলতে শোনা যায় না বরং চোখে দেখেন না, মাতাল নাকি ইত্যাদি বাক্য। সুন্দও শাড়ি পওে, পাতলা ব্লাউজ গায়ে, কসমেটিক্স আর দামি সেন্ট মেখে, পেন্সিল হিল পায়ে দিয়ে কার স্ত্রী কত স্মার্ট হতে পারল তা দিয়ে বন্ধুর কাছে বন্ধুর মর্যাদার বিচার। স্বামী-স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে নিয়ে ঘওে বসে ভিসিয়াওে বিজাতীয় সংস্কৃতির ছবি দেখা এসবই এখন আধুনিকতা?