দরিদ্র জাতির একটি করুণচিত্র

ধ্বংস প্রায় জাতির একটি করুণ চিত্রের প্রতি বিশ্ব মানবতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। একজন গরিব সর্বহারা বিধবার বাসস্থান। তার স্বামী দুটি অসহায় শিশু সন্তান রেখে মারা গেছে। জীর্ণ প্রায় ঘওে ভাঙাচোড়া কয়েকটি আসবাবপত্র, বাসন-কোসনও ময়লা, ছেড়া কাপড়-চোপড়। শিশু দু’টি কাঁদছে, বিধাব হা-হুতাশ করোা করজোরে মিনতী করছে। ঋণ-দাতার রোক ক্রোক পরোয়াণা হাতে অকত্য ভায়ায় গালিগালাজ করছে। মাঝে মাঝে মহিলাকে ধাক্কা ও চড় থাপ্পর মেে দাতার আদেশে দায়িত্ব পালন করছে। দুওে কর্মকর্তা জাঁকজমকপূর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে হাসছে আর এই দৃশ্য দেখছে। মহিলাকে লক্ষ্য কওে বলছে, দেখ দেখ, অন্যের অর্থ আত্মসা? করে কি রকম নির্লজেজর মতো অভিনয় করছে। মহিলা বলছে, আমার সন্তানরা অনাহারে মারা যাবে, আল্লাহর নামে দয়া করুণ; তাদের কোন অভিভাবক নেই, এই ভাঙাচোড়া জিনিসপত্র নিয়ে গেলে এই অসহায়দের কি উপায় হবে? স্বামীর আনা সামান্য ঋণের টাকায় সুদে-আসলে আজ অনেক হয়েছে, আর তা পরিশোধের দায়িত্ব চেপেছে এই মহিলার ঘাড়ে। এতদিন যে অপেক্ষা করেছে এটাইতো দাতার দয়া; অবশেষে বাড়িঘর নিলাম হয়ে গেল, বাসন-কোসন, আসবাবপত্র, কাপড়-চোপড় সব ক্রোক করা হলো। বিধা  ও তার সšতানরা কাঁদতে কাঁদতে বা¯ত্তভিটা ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে গেল অজানার পথে। এ ধরনের নাটক হলো সুদি লেন-দেনের ব্যবস্থায় দরিদ্র মানুষের জীবনের মামুলী ব্যাপার। এটা কোন উপন্যাসের কাল্পনিক কাহিনী বা ঘটনা নয়, এ হলো পৃথিবী নমীয় মঞ্চে অভিনীত নিত্য দিনের ঘটনা।

Comments (0)
Add Comment