মধু পরিবেশ বান্ধব সর্বশ্রেষ্ঠ ঔষধ

মধুর রাসায়নিক সূত্র C19H24o3. বহু চিকিৎসক মধুকে সর্বরোগ এর মহৌষধ বলে বিবেচনা করেছেন।

মধুর ঔষধি গুনাগুনঃ

খাবারের পরিপাক সহজতর করে, ক্ষুধা বাড়ায়, নিয়মিত মধু সেবনে যৌবনকাল দীর্ঘায়িত করে, নিজেকে পুরোপুরি কার্যক্ষম করে, স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি করে, বুদ্ধি তীক্ষ্ণ করে, এছাড়াও শতাধিক রোগ নিরাময়ে, প্রতিরোধে ও প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এক পাউন্ড মধু পানে ১৬০০ ক্যালরী তাপ উৎপাদন করে। শিশুদের শারীরিক ও বুদ্ধি বিকাশে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এক কথায় মানুষের জন্য মধু যথেষ্ট প্রয়োজন। মধুতে রয়েছে ফ্রুটোজ, গ্লুকোজ, ম্যালটোজ, শুক্রোজ, হায়ার স্যুগার, Ash, পানিসহ নাম না জানা অনেক অনেক উপকারী উপাদান।

খাঁটি মধু পরীক্ষা করার সহজ পদ্ধতিঃ

একটি সাদা কাঁচের গ্লাসে তিনভাগ পর্যন্ত পানি নিয়ে যে পরিমান মধু ঢেলে দেয়া হবে ঠিক সেই পরিমান মধু তলাতে আলাদা হয়ে যাবে। পানির সাথে মিশবে না।  যদি পানি মিষ্টি লাগে বা তলানি কম মনে হয় তাহলে বুঝতে হবে মধুতে ভেজাল আছে।

মধু নিয়ে আরো কথাঃ

মধু জমে গেলে ৬০-৭০ ডিগ্রি সে. গরম পানিতে পাত্র রেখে পুনরায় তরল করে নিতে হবে। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে মৌমাছি পরাগায়নে অধিক ভূমিকা রাখে। মৌচাকের মোম ও বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়।

বিস্তারিতঃ www.modhubazar.com

Comments (0)
Add Comment