রাজনৈতিক শোষণ

বহুল সৃষ্টি, বিভিন্ন দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব, আন্তঃদলীয় কোন্দল এবং ক্ষমতাসীন দলের প্রশাসন দলীয়করণের নীতির কারণেই অস্থিতিমীলতার জন্ন হয়। অপরদিকে জনজীবনে নেমে আসে দুঃখ-দুর্দশা। জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার লোভ আর ব্যক্তি স্বার্থের কারণে জাতির সাথে ক্ষমতাসীনরা করে থাকে বেইমানী। ক্ষমতায় এসে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য তারা দমন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও কুন্ঠা বোধ কওে না। ক্ষমতাসীনদেও সাথে কওে থাকে আঁতাত। জাতীয় স্বার্থেও রেচয়ে ব্যক্তি স্বার্থকেই তারা বড় মনে করে থাকে।
দেশের অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়লেও তাদের কিছু আসে যায় না। নিজের পেট ভরা থাকলে ক্ষুধার জ্বালা অনুভব করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। ক্ষমতাসীনরা বিরোধীদের বৈরী ভেবে থাকে, তেমনী বিরোধী দলগুলো গঠনমূলক পরামর্শের পরিবর্তে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুধু বিরোধীতার কারণেই বিরোধীতা করে থাকেন। মাঝখান থেকে নিরীহ জনগন হয় ভোগান্তির  শিকার। রাজনীতি তাই আজ গুটিকতক লোকের হাতে বন্দি। দেমের বুদ্ধিজঃবিী, রাজনিিতবিদ, যারা নীতি-নির্ধরণের সাথে জড়িত, এই যদি হয় তাদের দেশপ্রেমের নমুনা, তাহলে সে দেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থা কি হতে পাওে তা সহজেই অনুমান করা যায়।
পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকায় সমগ্র বিশ্ব আজ উদগ্রীব। শিল্প প্রধান দেশের শিল্প-বর্জের কারণেই আজ পরিবেশ হুমকীর সম্মুখীন। আর এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দরিদ্র দেশগুলো। ধরিত্রী সম্মেলন কওে আজ তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য শুরু করেছে ব্যাপক অভিযান, কিন্তু ক্ষুধ ও দারিদ্র্যতার জন্যও যে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেদিকে লক্ষ করে তা নিরসনের চেষ্টায় মোটেও আন্তরিক নয়।

Comments (0)
Add Comment