বাংলাদেশ নিম ফাউন্ডেশন ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল এই ৫ বছরে সারা দেশে ৫ কোটি নিম গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহন করেছে। উদ্দেশ্য হলো দারিদ্য-বিমোচন,পরিবেশ রক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
মাননীয় মন্ত্রী রেলপথ মন্ত্রণালয় গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অব মেডিসিন গত ২৮ অক্টোবর, ২০১৬ খ্রিঃ কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে ৫ম জাতীয় নিম সম্মেলনে প্রকল্পটি উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন। আপনিও এই উদ্যেগে শরীক হতে পারেন।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য: info@neemfoundation.org অথবা ফোন: ০১৭৪১৬৭৮১৩১ এ যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করছি।
নিম গাছ কেন লাগাবেন
নিম গাছ কেন লাগাবেন
- নিম- Azadirachta indica একটি পবিত্র বৃক্ষ ও আমাদের দেশীয় গাছ।
- পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত মনীষীদের জীবনের সাথে নিম জড়িত।
- নিম পরিবেশ রক্ষা, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক অবদান রাখে।
- নিম থেকে উৎপাদিত হয় প্রাকৃতিক প্রসাধনী, ঔষধ, জৈবসার ও কীট বিতারক।
- নিম স্বাস্থ্য রক্ষা, রূপচর্চা ও কৃষিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- নিম কাঠ ঘুণে ধরে না, নিমের আসবাবপত্র ব্যবহারে ত্বকে ক্যানসার হয় না।
- নিম পানির স্তর ধরে রাখে, শীতল ছায়া দেয় ও ভাইরাসরোধী।
- নিমের জৈব কীট বিতারক ও সার উপকারী কোন কীট পতেঙ্গর ক্ষতি করে না।
- নিম শিল্প বিপ্লবের ফলে উদ্ভূদ্ধ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিম ঝড়-ঝঞ্চা ও সুনামী থেকে আমাদের রক্ষা করে এবং নদীর ভাঙন ঠেকায়।
- নিমের সব অংশই ব্যবহারযোগ্য ও উপকারী।
- নিম মাটির লবণাক্ততা রোধ করে এবং অম্ল ও ক্ষারের সমতা ফেরায়।
- নিম গাছ বাতাস শীতল রাখে এবং অন্যান্য গাছের তুলনায় নিম গাছের নিচের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রী কম থাকে।
- নিম পাতার গুড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে উপকারী।
- নিম গাছ দ্রুত বর্ধনশীল এবং কাঠ খুব দামী।
- নিম যে কোন মাটিতে জন্মে ও স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠে।
- নিম পরিবেশ বান্ধব ও জীববৈচিত্র রক্ষায় অদ্বিতীয়।
- দশ বছর বয়সের দুটি নিম গাছের পাতা ও বীজ বিক্রি করে পাঁচ জনের পরিবারের সারা বছরের ভরণ-পোষণ সম্ভব।
- নিম ফুলের মধু অন্যান্য ফুলের মধুর তুলনায় অধিক পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণ সম্পন্ন।
- নিম মাটির ক্ষয় ও মরুময়তা রোধ করে।
- কৃষি বনায়ন বা কৃষি জমির আইলে নিম গাছ লাগালে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের উপদ্রব কম হয়।
- নিম থেকে তৈরি ঔষধ, প্রসাধনী, জৈব সার ও কীট বিতারক সারা বিশ্বব্যাপি সমাদৃত।
- নিমের পাতা,ছাল-বাকল, বীজ ও কাঠ সহ সকল অংশই ব্যবহার ও রপ্তানীযোগ্য।
- নিম গাছ গরুছাগলে খায় না এবং বাঁচে চার’শ বছরের অধিক।
- উপকারীতা বিবেচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিম কে ঘোষণা করেছে “ একুশ শতকের বৃক্ষ’’।
- নিম পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান ঔষধি বৃক্ষ।